1. হোম
  2. বইগুলো ক্রমানুসারে
  3. জন স্যান্ডফোর্ডের বইগুলো কোন ক্রমে পড়বেন
প্রকাশের তারিখ বইগুলো ক্রমানুসারে

জন স্যান্ডফোর্ডের বইগুলো কোন ক্রমে পড়বেন

Cliff Weitzman

ক্লিফ ওয়েইৎজম্যান

Speechify-এর সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা

apple logo২০২৫ অ্যাপল ডিজাইন অ্যাওয়ার্ড
৫ কোটি+ ব্যবহারকারী

জন স্যান্ডফোর্ডের বইগুলো কোন ক্রমে পড়বেন

এখানে জন স্যান্ডফোর্ডের সব বইয়ের পূর্ণ তালিকা আর কোন ক্রমে এগুলো পড়লে ভালো হয়, তা পাবেন।

জন স্যান্ডফোর্ড সম্পর্কে

জন স্যান্ডফোর্ড ১৯৪৪ সালে সিডার র্যাপিডস, আইওয়াতে জন্মগ্রহণ করেন, তিনি একজন নিউ ইয়র্ক টাইমস বেস্টসেলিং লেখক। আমেরিকান ইতিহাসে পড়াশোনা করে আইওয়া ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স শেষ করেছেন এবং পুলিৎজার পুরস্কারও জিতেছেন। এরপর কিছু বছর সাংবাদিকতা করে তিনি নিজের গল্প লেখা শুরু করেন। ১৯৮৯ সালে তার লেখালেখি শুরু হয় দুইটি উপন্যাস দিয়ে, যা পরে দুটি সফল সিরিজে পরিণত হয়।

লুকাস ডেভেনপোর্ট বইয়ের ক্রমনুসার

লুকাস ডেভেনপোর্টের গল্প শুরু হয় ১৯৮৯ সালে, যেখানে মিনিয়াপলিস পুলিশ ডিপার্টমেন্টের একজন গোয়েন্দার কাহিনি বলা হয়েছে। সিরিজটির নাম 'প্রে', তবে মূল চরিত্রের নামেই অনেকে একে লুকাস ডেভেনপোর্ট সিরিজ বলেন।

Rules of Prey (১৯৮৯)

Rules of Prey সিরিজের প্রথম বই, এখানেই লুকাস ডেভেনপোর্টের যাত্রা শুরু। কাহিনিটি আপনাকে টানটান উত্তেজনায় রাখবে। এই থ্রিলার হত্যারহস্য সিরিজের দুর্দান্ত সূচনা।

Shadow Prey (১৯৯০)

Shadow Prey মিনিয়াপলিসের গোয়েন্দার গল্প চলতে থাকে, যেখানে একের পর এক নৃশংস হত্যা ঘটে। লেফটেন্যান্ট ডেভেনপোর্ট তার একমাত্র শর্ত ভেঙে ফেলতে চলেছেন— কোনো পুলিশকে জড়ানো যাবে না।

Eyes of Prey (১৯৯১)

Eyes of Prey সিরিজের তৃতীয় উপন্যাস, যা এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড দিয়ে শুরু। ডেভেনপোর্ট নিশ্চিত নন তিনি পারবেন কিনা, কিন্তু আরেকটি খুন হতেই তাকে মাঠে নামতেই হয়।

Silent Prey (১৯৯২)

Silent Prey আরও বেশি উত্তেজনা, রোমান্স আর রহস্য নিয়ে লেখা এই বইয়ে আগের গল্পের কিছু চরিত্র ফিরেছে— এক মেধাবী প্যাথলজিস্ট এবং পুলিশ লিলি রোথেনবার্গ। ডেভেনপোর্ট ও রোথেনবার্গের প্রেম এখানেই থেমে নেই।

Winter Prey (১৯৯৩)

Winter Prey প্রধান চরিত্র এবার বাড়ি থেকে অনেক দূরে, উইসকনসিনের অরণ্যে। এখানে তাকে একেবারেই ভিন্ন ধরনের অপরাধের মোকাবিলা করতে হয়। তীব্র শীত পেরিয়ে ডেভেনপোর্ট কি পারবে এই অপরাধের গিঁট খুলতে?

Night Prey (১৯৯৪)

হত্যাকাণ্ডের তদন্ত আর ব্যক্তিগত ঝামেলার ভিড়ে ডেভেনপোর্টকে সমাধান খুঁজতেই হয়। প্রতি বার যে লাশ মিলছে, তার পেছনে যেন একই পরিচিত ছাপ।

Mind Prey (১৯৯৫)

একটি পরিবার খুন হয়। আন্দি মানেট হয়তো হত্যাকারীকে চেনেন, কিন্তু কিছুই বলতে চান না, তাঁর দুই মেয়েও না। রহস্যের জট ছাড়াতে পারে কেবল ডেভেনপোর্টই।

Sudden Prey (১৯৯৬)

দস্যু সিন্ডি পুলিশের সাথে গোলাগুলিতে মারা যায়, আর তার স্বামী প্রতিশোধ নেবে বলে শপথ করে। তার পরিকল্পনা— জড়িত সবাইকে খুঁজে বের করে তাদের আপনজনদের টার্গেট করা।

Secret Prey (১৯৯৮)

এক কোম্পানির চেয়ারম্যান খুব কাছে থেকে গুলি খেয়ে মারা যান। সাথে ছিলেন চার নির্বাহী, কারও মুখেই বিস্ময় নেই। ওপর ওপর দেখলে ক্লাসিক হত্যারহস্য, কিন্তু ভেতরে আরও অনেক স্তর লুকোনো।

Certain Prey (১৯৯৯)

ক্লারা রিনকার এক ভয়ংকর দক্ষ পেশাদার খুনি। এবার তার কাজ মিনিয়াপলিসে, আর সেখানেই ডেভেনপোর্টের সাথে তার মুখোমুখি। মুখ্য সাক্ষী বেঁচে গেলে পরিস্থিতি আরও গিঁট পাকায়।

Easy Prey (২০০০)

কিছু হত্যা সহজ, কিছু ভয়াবহ জটিল। ডেভেনপোর্ট টের পাবে, বিখ্যাত এক মডেলের হত্যাকাণ্ড আদৌ সহজ নয়। একে একে গোপন তথ্য বেরিয়ে আসে, রহস্য আরও ঘন হতে থাকে।

Chosen Prey (২০০১)

Chosen Prey 'প্রে' উপন্যাসের দ্বাদশ বই; এখানে ডেভেনপোর্টকে এক বিকৃত মানসিকতার অধ্যাপকের মুখোমুখি হতে হয়। সবচেয়ে ভয়ের যে, সে শুধু হত্যা নয়, এর পরের প্রতিটি মুহূর্তও উপভোগ করে।

Mortal Prey (২০০২)

ক্লারা রিনকার আবার ফিরে এসেছে। সে খুবই বিপজ্জনক; অবসর নিয়েছিল বটে, কিন্তু কেউই তাকে শান্তিতে থাকতে দিতে চায় না। ডেভেনপোর্টকে DEA আর FBI-এর সাথে মিলে তার খোঁজে নামতে হয়।

Naked Prey (২০০৩)

বছরের পর বছর লিখেও জন স্যান্ডফোর্ডের গল্প বলার ভঙ্গি টাটকা রয়ে গেছে। Naked Prey-এ ডেভেনপোর্ট একেবারে নতুন পরিস্থিতিতে পড়ে। সবকিছু বদলাচ্ছে; সাম্প্রতিক হত্যাগুলো আপাতত প্রকাশ্যে আসেনি।

Hidden Prey (২০০৪)

ডেভেনপোর্ট এখন ট্রাবলশুটার। এবার ভিকটিম একজন রাশিয়ান, আর ঘটনা ক্রমেই জট খুলতে গিয়েও আবার জট পাকায়— সঙ্গে আসে নতুন চরিত্র, এক রাশিয়ান পুলিশ কর্মকর্তা।

Broken Prey (২০০৫)

Broken Prey-এ একের পর এক হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সন্দেহ পড়ে এক রহস্যময় ড্রাগলর্ডের ওপর। তদন্তের পথে ডেভেনপোর্টের সামনে দাঁড়ায় এক ভয়ংকর খুনি, যে নিজের অপরাধ সাম্রাজ্য বাঁচাতে মরিয়া।

Invisible Prey (২০০৭)

হত্যাকারী যেন গর্ব করেই এগোচ্ছে। সে কিছুই লুকোয় না, বরং খুনগুলোকে প্রদর্শনীর মতো সাজিয়ে রাখে। মৃতদেহের সংখ্যা বাড়তেই থাকে। ডেভেনপোর্ট তদন্ত করছেন, তবু মনে হয়, তিনি যেন ভুল দিকেই ছুটছেন।

Phantom Prey (২০০৮)

এই গল্পে স্যান্ডফোর্ড নিজের সীমা আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দেন। ডেভেনপোর্ট এবার এমন সব অদ্ভুত পরিস্থিতিতে পড়ে, যা তার একদম অচেনা— আর সে আদৌ এর সমাধান খুঁজে পাবে কিনা, সেটাই প্রশ্ন।

Wicked Prey (২০০৯)

কয়েক বছর আগে র্যান্ডি হুইটকম হুইলচেয়ারে বসা জীবন পায়, আর সে এর সব দোষ দেয় ডেভেনপোর্টকে। চাইলে সে সরাসরি হত্যা করতে পারতো, কিন্তু প্রতিশোধ হলে আরও মজা। এখন তার সুযোগ এসেছে, ততদিনে ডেভেনপোর্টের একটি দত্তক কন্যাও হয়েছে।

Storm Prey (২০১০)

Storm Prey হলো বিখ্যাত প্রে সিরিজের ২০তম উপন্যাস। গল্পের শুরুই হাসপাতালে— তিনজন ঢুকে পড়ে, এক কর্মী নিহত হয়। বের হওয়ার পথে তাদের মুখোমুখি হয় ডেভেনপোর্টের স্ত্রী ওয়েদার কার্কিনেন।

Buried Prey (২০১১)

মিনিয়াপলিসে এক পুরনো ব্লক ভেঙে ফেলা হচ্ছে। নতুন কিছু গড়ে উঠবে, আর সাথে সাথেই সামনে আসে পুরনো রহস্য— ১৯৮৫ সালে অপহৃত দুই মেয়ের মৃতদেহ। ডেভেনপোর্ট এবার এই ‘কোল্ড কেস’-এর সত্যতা খুঁজতে নামে।

Stolen Prey (২০১২)

মিনেসোটার ছোট এক শহরে পুরো পরিবার খুন, আর রক্ত দিয়ে লেখা থাকে “were coming।” এর মানে কী? বানান ভুল, নাকি ইচ্ছাকৃত কোনো বার্তা?

Silken Prey (২০১৩)

এবার খুন হন এক রাজনৈতিক ঠিকাদার। তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে ডেভেনপোর্ট পরক্ষণেই হয়ত আফসোস করেন— কারণ অপরাধে জড়িতদের মধ্যে আছে ক্ষমতাধর এক প্রভাবশালী নাম।

Field of Prey (২০১৪)

দুই কিশোর নির্জন জায়গায় ঘুরতে গিয়ে এক ফার্মে হোঁচট খায়। ভয়ংকর গন্ধ টের পেয়ে পুলিশ ডাকা হয়; একে একে পনেরোর বেশি লাশ উদ্ধার হয়। এতগুলো হারিয়ে যাওয়া মানুষ এতদিন গোপনই থেকে গেল কীভাবে?

Gathering Prey (২০১৫)

কারো নিশানায় আছে ‘ট্রাভেলার্স’— যারা দেশজুড়ে ঘুরে বেড়ায়, সাধারণত অপরাধের সঙ্গে জড়িত নয়। তাহলে তাদেরই বা কে, কেন টার্গেট করছে? ডেভেনপোর্ট এবার সেই সত্যের খোঁজে নামে।

Extreme Prey (২০১৬)

গল্পের শুরু Gathering Prey-এর পর; ডেভেনপোর্ট এখন আর মিনেসোটা BCA-তে নেই। সে এক বন্ধুর প্রেসিডেন্ট প্রচারে সাহায্য করছে, আর সেখানেই ধরা পড়ে গভর্নরকে হত্যাচেষ্টার চক্রান্ত।

Golden Prey (২০১৭)

ডেভেনপোর্ট এখন ইউএস মার্শাল হিসেবে নতুন ভূমিকায়, আর প্রথম মিশনেই তাকে যেতে হয় একেবারে অচেনা ময়দানে। তার নতুন কাজের সেরা দিক হলো— সে নিজেই নিজের কেস বেছে নিতে পারে।

Twisted Prey (২০১৮)

টারিন গ্র্যান্ট ইউএস সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন। সফল, ধনী, নির্ভীক এই নারীকে ডেভেনপোর্ট মনে করেন অন্তত তিনটি হত্যার নেপথ্যে থাকা মানুষ। এবার তাকে প্রমাণের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে।

Neon Prey (২০১৯)

ক্রিমিনাল ক্লেটন ডিজ জামিনে বেরিয়ে গা-ঢাকা দিয়েছে। ইউএস মার্শালদের লক্ষ্য যদিও তাকে ধরা, আসলে তারা চাইছে তার আসল বসকে পেতে। ডেভেনপোর্ট লুইজিয়ানায় এক সিরিয়াল কিলারের পিছু নেয়।

Masked Prey (২০২০)

এক সেনেটরের মেয়ে এক সন্দেহজনক ওয়েবসাইটে নিজের ছবি দেখতে পায়। সেখানে শুধু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সন্তানদের ছবিই তোলা। পেছনের লোকটা খুবই ঠান্ডা মাথার— কাউকে আঁচ করতে না দিয়ে নিজের মিশন চালিয়ে যাচ্ছে।

Ocean Prey (২০২১)

এক রহস্যময় তদন্ত করতে গিয়ে তিন রক্ষী খুন হয়ে যায়। তারা ফেডারেল অফিসার হওয়ায় FBI-ও নেমে পড়ে, কিন্তু স্থানীয় পুলিশ ও FBI কেউই কিছুতেই অগ্রগতি আনতে পারে না। শেষ পর্যন্ত ডাকা হয় ডেভেনপোর্টকে।

Righteous Prey (২০২২)

Righteous Prey এখন পর্যন্ত প্রে সিরিজের সর্বশেষ উপন্যাস, প্রকাশিত ২০২২ সালে। এখানে ভার্জিল ফ্লাওয়ার্স ও লুকাস ডেভেনপোর্ট একসাথে দল বাঁধে— আর এই কেস সমাধান করতে পারবে কি না, সেটাই দেখার।

লুকাস ডেভেনপোর্ট ছোটগল্প

জন স্যান্ডফোর্ড বেশ কিছু ছোটগল্প লিখলেও, প্রে সিরিজের নায়ক লুকাস ডেভেনপোর্টকে নিয়ে কেবল একটি ছোটগল্পই পাওয়া যায়।

Rhymes With Prey: Lincoln Rhyme vs. Lucas Davenport (২০১৪)

বইটির নামেই আছে শব্দের খেলা, প্রধান চরিত্র লিঙ্কন রাইম ও লুকাস ডেভেনপোর্টের প্রতি ইঙ্গিত। এই প্রথমবার এই দুই চরিত্র একসাথে হাজির, আর গল্পটি লিখেছেন জেফ্রি ডেভার ও জন স্যান্ডফোর্ড মিলে।

লেটি ডেভেনপোর্ট সিরিজ

লেটি ডেভেনপোর্ট সিরিজে মুখ্য চরিত্র লুকাসের মেয়ে— যাকে আমরা আগেও অনেক প্রে উপন্যাসে দেখেছি, এবার তিনি নিজেই নায়িকা।

The Investigator (২০২২)

The Investigator-এ লেটি ডেভেনপোর্ট, লুকাসের ২৪ বছর বয়সী দত্তক কন্যা, তার প্রথম চাকরি পায় হোমল্যান্ড সিকিউরিটিতে। এখান থেকেই তার মাঠের আসল কাজের শুরু।

Dark Angel (২০২৩)

স্যান্ডফোর্ড বছরের শুরুতেই লেটি সিরিজের দ্বিতীয় বই প্রকাশ করেন— রহস্য, ঝুঁকি আর টানটান গতি মেশানো প্রাণবন্ত এক গল্প। জটিল অপরাধ উন্মোচনে লেটি যে বেশ পাকা খেলোয়াড়, সেটি এখানে আরও স্পষ্ট হয়।

ভার্জিল ফ্লাওয়ার্স বইয়ের ক্রম

Virgil Flowers প্রথম আবির্ভূত হয় প্রে সিরিজে, ডেভেনপোর্টের সাথে কিছু কেসে একসাথে কাজ করতে দেখা যায়।

Dark of the Moon (২০০৭)

Dark of the Moon ভার্জিলের প্রথম একক কেস, Minnesota Bureau of Criminal Apprehension-এর হয়ে। এই তদন্ত তার আগের যেকোনো কেস থেকে আলাদা ধরণের।

Heat Lightning (২০০৮)

Heat Lightning ভার্জিল ফ্লাওয়ার্স সিরিজের জমজমাট সূচনা অব্যাহত রাখে। ফোনকল দিয়েই শুরু— পুরনো বন্ধু লুকাস এক অদ্ভুত হত্যাকাণ্ডে তার সাহায্য চায়।

Rough Country (২০০৯)

ফ্লাওয়ার্স ডেভেনপোর্টের সাথে কাজ চালিয়ে যায়; লুকাস যখনই কোনো আকর্ষণীয় কেস পায়, তখনই তাকে ডাকে। এবার খুন স্থানীয়, আর তদন্তের ভার পড়ে ভার্জিলের কাঁধে।

Bad Blood (২০১০)

মূল সিরিজে তখনও একদম নতুন, তবু ফ্লাওয়ার্স দ্রুত পাঠকপ্রিয় হয়ে ওঠে। এবার তার দায়িত্ব শুধু কেস সমাধানই নয়, সন্দেহ আছে— ভেতরের কেউ কি এতে জড়িয়ে আছে?

Shock Wave (২০১১)

একটি স্থানীয় সুপারস্টোর চেইনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। ফ্লাওয়ার্সকে তৎক্ষণাৎ মাঠে নামতে হয়, যাতে আর কোনো প্রাণহানি না ঘটে।

Mad River (২০১২)

কয়েকজন যুবক এক মেয়েকে হত্যা করে, আর তারপর শুরু হয় একের পর এক খুন। এই হত্যার স্রোত থামার নামই নিচ্ছে না— আর সমাধান খুঁজে বের করার দায় ফ্লাওয়ার্সেরই।

Storm Front (২০১৩)

আরেকটি গল্প, শুরু আবারও এক ফোনকল দিয়ে। এবার ফ্লাওয়ার্সের কাছে আসে ইসরায়েলি পুলিশ— তাদের একসাথে হাতে হাত মিলিয়ে ধরতে হবে এক চোরকে, আর সময় একেবারেই কম।

Deadline (২০১৪)

গল্পটা দ্রুত ভয়াবহ দিকে মোড়ে। শুরুটা ছিল কুকুর চুরি, শেষটা গিয়ে দাঁড়ায় রক্তপাত আর বড় অপরাধে। আর সেই স্রোত থামাতে পারবে একমাত্র ফ্লাওয়ার্সই।

Escape Clause (২০১৬)

Minnesota-র এক চিড়িয়াখানা থেকে দুটি বিরল বাঘ উধাও। ধারণা, ওদের দেহাংশ ওষুধে ব্যবহারের জন্য পাচার করা হবে। এই কেসে ফ্লাওয়ার্স খুব কাছ থেকে দেখবে, মানুষের লোভ কত দূর যেতে পারে।

Deep Freeze (২০১৭)

মিনেসোটার ট্রিপটনে এক নারী বরফের চাঙড়ের মধ্যে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। এই খুনের সুত্র নাকি বিশ বছর আগের এক শ্রেণির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। ফ্লাওয়ার্স তাই দুই দশকের পুরনো ঘটনা-পাতা উল্টিয়ে তদন্ত শুরু করে।

Holy Ghost (২০১৮)

Minnesota-র ছোট শহর পিনিয়নে মানুষ মাত্র সাতশো, আর শহরকে ‘মানচিত্রে তোলার’ ধান্দায় শুরু হয় একের পর এক গুলিবর্ষণ আর খুন। শেষ পর্যন্ত এটি ফ্লাওয়ার্সের জন্য আরও মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

Bloody Genius (২০১৯)

Bloody Genius হলো ভার্জিল ফ্লাওয়ার্স সিরিজের এখন পর্যন্ত সর্বশেষ বই, প্রকাশিত ২০১৯ সালে। সামনে সিরিজ এগোবে কি না, সেটাই এখন দেখার পালা।

কিড & লুয়েলেন সিরিজ

কিড ও লুয়েলেন সিরিজ স্যান্ডফোর্ডের অন্যতম জনপ্রিয় কাজ, এতে রয়েছে মোট চারটি বই।

The Fool’s Run (১৯৮৯)

The Fool’s Run কিড সিরিজের প্রথম বই, যেখানে মূল চরিত্র হিসেবে হাজির চিত্রশিল্পী, ট্যারোট-পাঠক ও কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ কিড এবং ক্যাট বার্গলার লুয়েলেন। এই দল একসাথে নানারকম কাজ করে।

The Empress File (১৯৯১)

কিড ও লুয়েলেনকে ঘিরে এই উপন্যাসে আছে বেশ কিছু অদ্ভুত, কখনও আবার সরাসরি বেআইনি কাজকর্ম। তাদের সম্পর্কে আরও ঘনিষ্ঠতা আসে, যদিও ট্যারোট কার্ড ভবিষ্যতে বিপদের আভাস দেয়।

The Devil’s Code (২০০০)

The Devil’s Code কিডকে ঘিরে লেখা, যে একাধারে হ্যাকার, অপরাধী এবং প্রেমিকা লুয়েলেনের সঙ্গী। হঠাৎ করেই মারা যায় তার এক সাবেক সহকর্মী জ্যাক মরিসন, আর সেখান থেকেই গল্প মোড় নেয়।

The Hanged Man’s Song (২০০৩)

চূড়ান্ত কিড উপন্যাস The Hanged Man’s Song, প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালে; পাঠকদের এতই ভালো লেগেছে যে অনেকে এখনও আরেকটি বইয়ের অপেক্ষায় আছেন।

মিশেল কুকের সাথে Singular Menace সিরিজ

Singular Menace সিরিজ একটি ত্রয়ী, যা জন স্যান্ডফোর্ড মিশেল কুকের সাথে যৌথভাবে লিখেছেন।

Uncaged (২০১৪)

Uncaged Singular Menace ত্রয়ীর প্রথম বই, যেখানে মূল চরিত্র শে রেনবি, ওডিন এবং এক রহস্যময় প্রতিষ্ঠান Singular Corporation-এর সাথে প্রথম পরিচয় ঘটে।

Outrage (২০১৫)

Outrage এই ত্রয়ীর দ্বিতীয় বই; শে রেনবির দলের সাথে Singular Corporation-এর সংঘাত চলতেই থাকে, তার মাঝে দলে যোগ দেয় আরও নতুন সদস্য।

Rampage (২০১৬)

Rampage ত্রয়ীর শেষ বই, আর পুরো ধারাবাহিকের টানটান সমাপ্তি। মিশেল কুক ও স্যান্ডফোর্ড মিলে এখানে দিয়েছেন স্মরণীয় সব চরিত্র আর দারুণ এক অ্যাকশন-ভরা গল্প।

স্বতন্ত্র বইসমূহ

হত্যারহস্য সিরিজ ছাড়াও, স্যান্ডফোর্ড কিছু একক উপন্যাসও লিখেছেন।

The Night Crew (১৯৯৭)

এই গল্পে আনা বাতোরি ও তাঁর ফ্রিল্যান্সারের দল সদা খুঁজতে থাকে দুর্ঘটনা, হত্যা বা অন্য যেকোনো বড় খবর— ছবি তুলে সেগুলো বিক্রি করাই তাদের কাজ। আর এক মুহূর্তেই সবকিছু ওলটপালট হয়ে যায়।

Dead Watch (২০০৬)

Dead Watch একক উপন্যাস, টানটান রহস্য আর রোমাঞ্চে ভরা— স্যান্ডফোর্ডের লেখালেখি বোঝার জন্য একক বই হিসেবে এটি দারুণ শুরু হতে পারে।

Saturn Run (২০১৫)

Saturn Run সিটেইনের সাথে যৌথভাবে লেখা— একেবারেই ভিন্ন স্বাদের, যেখানে সায়েন্স ফিকশন আর হররের উপাদান আছে। সময় ২০৬৬ সাল, প্রথমবারের মতো এলিয়েনের সাথে যোগাযোগের কাহিনি।

জন স্যান্ডফোর্ডের নন-ফিকশন বই

স্যান্ডফোর্ড তিনটি নন-ফিকশন বইও লিখেছেন, যেগুলো আলাদা স্বাদের একক কাজ।

The Eye of the Heart (১৯৮৮)

জন স্টুয়ার্ট ইংল একজন চিত্রশিল্পী; বইটি তার চিত্রকলা নিয়ে লেখা। পূর্ণ শিরোনাম— The Eye of the Heart: The Watercolors of John Stuart Ingle.

Plastic Surgery (১৯৮৯)

জন স্যান্ডফোর্ডের আসল নাম জন রোসওয়েল ক্যাম্প; তিনি Plastic Surgery লিখেছেন জন ক্যাম্প নামে। এতে প্লাস্টিক সার্জারি ও এর পেছনের সামাজিক-মানসিক কারণ তুলে ধরা হয়েছে।

Murder in the Rough (২০০৬)

Murder in the Rough একটি সংকলন, যেখানে একত্রে প্রকাশিত হয়েছে নানান ছোটগল্প, আর এখানে স্যান্ডফোর্ড লিখেছেন “Lucy Had a List।”

জন স্যান্ডফোর্ডের সংকলনসমূহ

স্যান্ডফোর্ডের লেখা পাওয়া যায় Murder in the Rough, FaceOffMatchUp সংকলনে।

অডিওবুক

যদি স্যান্ডফোর্ডের বই পড়তে চান, সবচেয়ে সহজ উপায় হলো তার অডিওবুক শুনে দেখা।

Speechify-এ জন স্যান্ডফোর্ডের বই শুনুন

Speechify সেরা অডিওবুক প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি। ব্যবহার সহজ, রয়েছে ৭০,০০০+ বইয়ের লাইব্রেরি— ক্লাসিক থেকে শুরু করে একদম নতুন প্রকাশনা। শুধু স্যান্ডফোর্ডই নয়, আরও অনেক জনপ্রিয় লেখকের বই পাবেন নানা ঘরানায়। Speechify Audiobooks-এ প্রথম প্রিমিয়াম অডিওবুকটি একদম ফ্রি শুনে দেখুন— চাইলে হতে পারে সেটি জন স্যান্ডফোর্ডেরই কোনো বই।

অত্যাধুনিক AI কণ্ঠস্বর, সীমাহীন ফাইল আর ২৪/৭ সহায়তা উপভোগ করুন

বিনামূল্যে ব্যবহার করে দেখুন
tts banner for blog

এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন

Cliff Weitzman

ক্লিফ ওয়েইৎজম্যান

Speechify-এর সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা

ক্লিফ ওয়েইৎজম্যান ডিসলেক্সিয়ার পক্ষে সোচ্চার এবং Speechify-এর সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা। Speechify হলো বিশ্বের #1 টেক্সট-টু-স্পিচ অ্যাপ, যার ১,০০,০০০+ ৫-তারকা রিভিউ এবং অ্যাপ স্টোরে সংবাদ ও ম্যাগাজিন শ্রেণিতে শীর্ষ স্থান। ২০১৭ সালে, ওয়েইৎজম্যান Forbes 30 Under 30-এ ছিলেন, ওয়েব আরও সহজলভ্য করতে তার অবদানের জন্য। ক্লিফ ওয়েইৎজম্যান EdSurge, Inc., PC Mag, Entrepreneur, Mashable-সহ নানা শীর্ষ মিডিয়ায় আলোচিত হয়েছেন।

speechify logo

স্পিচিফাই সম্পর্কে

#১ টেক্সট-টু-স্পিচ রিডার

স্পিচিফাই পৃথিবীর শীর্ষস্থানীয় টেক্সট-টু-স্পিচ প্ল্যাটফর্ম, যা ৫ কোটি+ ব্যবহারকারীর কাছে ভরসাযোগ্য এবং এর টেক্সট-টু-স্পিচ iOS, অ্যান্ড্রয়েড, ক্রোম এক্সটেনশন, ওয়েব অ্যাপ আর ম্যাক ডেস্কটপ অ্যাপসে ৫ লক্ষ+ ফাইভ-স্টার রিভিউ পেয়েছে। ২০২৫ সালে অ্যাপল স্পিচিফাই-কে মর্যাদাপূর্ণ অ্যাপল ডিজাইন অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে WWDC-তে এবং একে বলে, “মানুষের জীবনে দারুণ সহায়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ রিসোর্স।” স্পিচিফাই ৬০+ ভাষায় ১,০০০+ প্রাকৃতিক কণ্ঠ নিয়ে প্রায় ২০০ দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেলিব্রিটি কণ্ঠের মধ্যে রয়েছে স্নুপ ডগ আর গুইনেথ পেল্ট্রো। নির্মাতা ও ব্যবসার জন্য স্পিচিফাই স্টুডিও উন্নত সব টুল দেয়, যার মধ্যে রয়েছে AI ভয়েস জেনারেটর, AI ভয়েস ক্লোনিং, AI ডাবিং আর AI ভয়েস চেঞ্জার। স্পিচিফাই-এর উচ্চমানের এবং খরচ-সাশ্রয়ী টেক্সট-টু-স্পিচ API-এর মাধ্যমে অসংখ্য শীর্ষ পণ্য সম্ভব হয়েছে। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, CNBC, Forbes, TechCrunch এবং অন্যান্য বড় সংবাদমাধ্যমে স্পিচিফাই নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে; এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেক্সট-টু-স্পিচ প্রদানকারী। আরও জানতে ভিজিট করুন speechify.com/news, speechify.com/blog এবং speechify.com/press