1. হোম
  2. প্রোডাক্টিভিটি
  3. Google Voice অ্যাপ ব্যবহার করার সুবিধা
প্রকাশের তারিখ প্রোডাক্টিভিটি

Google Voice অ্যাপ ব্যবহার করার সুবিধা

Cliff Weitzman

ক্লিফ ওয়েইৎজম্যান

Speechify-এর সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা

apple logo২০২৫ অ্যাপল ডিজাইন অ্যাওয়ার্ড
৫ কোটি+ ব্যবহারকারী

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সোশ্যাল মিডিয়া ও রিমোট ওয়ার্ক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিডিও চ্যাট ও ফোন সার্ভিস অ্যাপ বেশ সাধারণ হয়ে উঠেছে। Google Voice হলো দারুণ সমাধান, যদি আপনি ফোন অপারেটর ছাড়াই মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতে চান। ব্যক্তিগত আর ব্যবসায়িক—দুই ধরনের ব্যবহারকারীর জন্যই দরকারি সব ফিচার আছে এতে।

আরও জানতে চাইলে, এখানে আমরা Google Voice সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সবকিছু এবং কীভাবে অ্যাকাউন্ট খুলবেন, ধাপে ধাপে দেখাচ্ছি।

Google Voice কী?

Google Voice একটি শক্তিশালী টেলিফোন সার্ভিস, যা ভয়েস কল, আন্তর্জাতিক কল, এসএমএস, ভয়েসমেইল, কল ফরোয়ার্ডিংসহ বিভিন্ন সুবিধা দেয়। এটি Google Hangouts বা Google Meet থেকে আলাদা একটি পরিষেবা।

Google Voice-এ ইউজাররা নির্দিষ্ট এরিয়া কোডসহ একটি Google Voice নাম্বার পায়। মোবাইল ও ট্যাবলেটের পাশাপাশি এটি ওয়েব ব্রাউজার দিয়েও ব্যবহার করা যায়।

ইনকামিং কল পেলে স্ক্রিনে দেখাবে “via Google Voice Wi-Fi Call”। ছোট ব্যবসার মালিকদের জন্য Google Voice বেশ সুবিধাজনক। পাশাপাশি স্প্যাম কল এড়াতেও এটি খুব কার্যকর।

Google Voice অ্যাপ কীভাবে কাজ করে?

Google Voice অ্যাপে বেশ কিছু মূল ফিচার আছে, যা যোগাযোগের সবকিছুকে এক জায়গায় এনে দেয়। এর মধ্যে কল ফরোয়ার্ডিং বেশ উল্লেখযোগ্য; আপনার পছন্দমতো নাম্বারে কল ফরোয়ার্ড করতে পারবেন, নিয়ম কাস্টমাইজ করতে পারবেন, এমনকি নির্দিষ্ট নাম্বার ব্লকও করতে পারবেন।

আরেকটি আকর্ষণীয় ফিচার হল ভয়েসমেইল ট্রান্সক্রিপশন, যেখানে আপনার ভয়েসমেইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে টেক্সটে রূপান্তর হয়। মিটিংয়ে থাকলে বা আশেপাশের কাউকে বিরক্ত করতে না চাইলে এটি খুবই উপকারী। নিজের সুবিধামতো ট্রান্সক্রিপশন সেটিংও কাস্টমাইজ করতে পারবেন।

অ্যাপটিতে মেসেজিং-ও আছে, যাতে Google Voice নাম্বার দিয়েই টেক্সট পাঠানো ও নেয়া যায়। ব্যক্তিগত নাম্বার গোপন রাখার জন্য এটি বেশ সহায়ক। ফোন, ট্যাব বা কম্পিউটার—যেখান থেকেই চান টেক্সট পাঠাতে পারবেন।

কল ফরোয়ার্ডিং, ভয়েসমেইল ট্রান্সক্রিপশন ও মেসেজিং ছাড়াও Google Voice অ্যাপ দিয়ে কনফারেন্স কল করা যায়, যেখানে একসাথে ছয়জন পর্যন্ত অংশ নিতে পারে। দূরবর্তী টিম বা একাধিক লোকের সাথে কাজের জন্য এটি দারুণ অপশন।

আরেকটি সুবিধা হলো কল স্ক্রীনিং। কেউ যদি Google Voice নাম্বারে কল দেয়, আপনি চাইলে কল রিসিভ করতে, ভয়েসমেইলে পাঠাতে বা আগে স্ক্রীন করতে পারবেন। স্ক্রীন করলে কলারকে নাম বলতে বলা হবে, এরপর আপনি ভাবনা-চিন্তা করে ঠিক করতে পারবেন কল ধরবেন নাকি ভয়েসমেইলে পাঠাবেন।

Google Voice ব্যবহারের শর্তাবলী

Google Voice ব্যবহারের আগে একটি Google অ্যাকাউন্ট আর কল/টেক্সট পেতে পারে এমন একটি ফোন নাম্বার লাগবে। কল করার জন্য মাইক্রোফোন, স্পিকার বা হেডসেটও থাকতে হবে।

মোবাইলে অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে iOS বা Android চালিত স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট দরকার। ওয়েব থেকে ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও কিছু ফিচার ঠিকমতো পেতে অ্যাপ লাগবে।

Google Voice সব দেশে নেই। ডাউনলোডের আগে নিশ্চিত হয়ে নিন আপনার দেশে এটি সাপোর্টেড কি না। অবস্থানভেদে ফিচারও ভিন্ন হতে পারে, যেমন আন্তর্জাতিক কল রেট দেশের ওপর নির্ভর করে বদলে যায়।

Google Voice অ্যাপের ফিচারগুলোর সাথে পরিচিত হোন

Google Voice অ্যাপের মৌলিক বিষয়গুলো জানার পর এবার এর কিছু উন্নত ফিচার নিয়ে কথা বলা যাক। নিচের ফিচারগুলো আপনার কাছে বিশেষভাবে উপকারী মনে হতে পারে:

  • কাস্টম ভয়েসমেইল গ্রিটিং: আলাদা পরিচিতি বা গ্রুপের জন্য আলাদা ভয়েসমেইল গ্রিটিং সেট করুন। চাকরিজীবীদের জন্য ফরমাল, বন্ধু-পরিবারের জন্য আবার বেশি কেজুয়াল টোন বেছে নিতে পারেন।
  • Google Voice নাম্বার পোর্টিং: আপনার বিদ্যমান ফোন নাম্বার Google Voice-এ ট্রান্সফার করুন। একাধিক ডিভাইসে একই নাম্বার রেখে সব সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন।
  • Google Voice একাধিক ডিভাইসে: একসাথে ফোন, ট্যাব ইত্যাদিতে Google Voice ব্যবহার করুন। ফলে যেখানেই থাকুন, সব জায়গায় একই সাথে কল বা টেক্সট পাবেন।

ভয়েসমেইল ও ট্রান্সক্রিপশন

আপনার ভয়েসমেইল গ্রিটিং সেট করুন

Google Voice-এ কাস্টম ভয়েসমেইল গ্রিটিং খুব সহজে সেট করতে পারবেন। ফোন রিসিভ করতে না পারলে এই ফিচারটি বেশ কাজে লাগে। আপনি এমন মেসেজ রেকর্ড করতে পারেন, যা আপনার ব্যক্তিত্ব বা ব্যবসার পরিচয়ের সঙ্গে মানানসই। এতে কলারও নিশ্চিত হবে, সে ঠিক ব্যক্তিকেই কল করেছে।

ভয়েসমেইল গ্রিটিং সেট করা একদম সহজ। অ্যাপ খুলে সেটিংসে যান, "Voicemail Greeting" সিলেক্ট করুন। সেখানে কাস্টম মেসেজ রেকর্ড করতে পারবেন, চাইলে আবার স্ট্যান্ডার্ড মেসেজে সুইচ করতে বা শুধু ভয়েসমেইল টোনও প্লে করতে পারবেন।

ভয়েসমেইল শুনবেন কীভাবে

Google Voice-এ ভয়েসমেইল খুব সহজেই শোনা যায়। অ্যাপ কিংবা কল—দুইভাবেই ভয়েসমেইল শোনা সম্ভব। অ্যাপ ব্যবহার করতে চাইলে সেটি খুলে ভয়েসমেইল আইকনে ট্যাপ করুন, যে মেসেজ শুনতে চান সেটি সিলেক্ট করুন। অথবা Google Voice নাম্বারে কল দিয়ে ভয়েস প্রম্পট অনুসরণ করুন।

আপনার সুবিধামতো সময়ে ভয়েসমেইল শুনুন—বাড়িতে হোন বা বাইরে, কলারদের সঙ্গে কানেক্টেডই থাকবেন।

ভয়েসমেইল টেক্সটে ট্রান্সক্রাইব করুন

Google Voice-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফিচারের একটি হচ্ছে ভয়েসমেইলকে অটো টেক্সটে রূপান্তর করা। শুনে বুঝতে না পারলে বা কথার ভাষা ধরা কঠিন হলে এটি দারুণ উপকারী।

কেউ ভয়েসমেইল দিলে Google Voice স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেটি টেক্সটে কনভার্ট করে। সেই ট্রান্সক্রিপশন অ্যাপ বা ইমেইল—দুই জায়গাতেই দেখতে পারবেন। শতভাগ নির্ভুল নাও হতে পারে, কিন্তু মেসেজের মূল কথা সহজেই বুঝে ফেলতে পারবেন।

Google Voice-এ গুরুত্বপূর্ণ কোনো ভয়েসমেইল ডিটেইল মিস হওয়ার ভয় অনেকটাই কমে যায়। এই ফিচার মেসেজ পড়া আর বোঝা, দুইই আরও সহজ করে দেয়।

Google Voice-এর সুবিধা কী কী?

Google Voice একটি অসাধারণ ফোন সার্ভিস, যার অনেক ভালো দিক আছে। নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হলো:

জিমেইল কল

Google Voice দিয়ে সরাসরি Gmail ইনবক্স থেকেই কল করা যায়। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় ডিফল্টভাবেই এই ফিচার চালু থাকে।

তাছাড়া, Google Voice-এ Gmail-এ প্রতি কলেই নাম্বার বদলায় না। আননোন নাম্বারের জন্য ফোন স্ক্রীনিংয়ের ঝামেলাও কমে যায় এই অপশনে। এমনকি Google Chat থেকেও কল রিসিভ করতে পারবেন।

অসীম এসএমএস

বিজনেসে Google Voice ব্যবহার করলে মূল্য প্যাকেজ অনুযায়ী আলাদা হয়। তবে ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের জন্য বিনামূল্যে অসীম ম্যাসেজিংয়ের সুবিধা আছে। ফোন ছাড়াও সরাসরি ব্রাউজার থেকে টেক্সট পাঠানো যায়।

কল ফরোয়ার্ডিং

ফোন অপারেটর পাল্টানোর সময় বা মোবাইল ফোন নাম্বার বদলাতে হলে Google Voice বেশ কাজে দেয়। ৬টি পর্যন্ত নাম্বারে কল ফরোয়ার্ড করা যায়, এমনকি ল্যান্ডলাইনেও।

সব নাম্বারে একসাথে রিং হবে, নাকি নির্দিষ্ট কোনো অর্ডারে বাজবে—এটাও আপনি নিজের মতো করে সেট করতে পারবেন।

ভয়েসমেইল ট্রান্সক্রিপশন

Google Voice-এ আপনি চাইলে রিয়েল-টাইমে ভয়েসমেইল শুনতে পারবেন, পাশাপাশি স্পিচ রিকগনিশনের মাধ্যমে সেই ভয়েসমেইলের লিখিত ভার্সনও হাতে পাবেন। গুরুত্বপূর্ণ ভয়েসমেইল সংরক্ষণে চাইলে এই ট্রান্সক্রিপশন সুবিধা কাজে লাগাতে পারেন।

নাম্বার ব্লক

বিপণন কল, স্প্যাম আর অবাঞ্ছিত কল সত্যিই বিরক্তিকর। Google Voice-এ খুব সহজেই এসব কল আর ম্যাসেজ ব্লক করতে পারবেন। চাইলে “Number, not in service” লেখা আউটগোয়িং মেসেজও সেট করে দিতে পারেন।

Google Voice-এর সীমাবদ্ধতা

Google Voice অ্যাপ বেশ শক্তিশালী হলেও কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। যেমন অ্যাপ দিয়ে ইমারজেন্সি কল করা যায় না, MMS (ছবি/ভিডিও) পাঠানো সম্ভব নয়, আর গুগল ভয়েসের বাইরে অন্যদের সঙ্গে গ্রুপ মেসেজিংও করা যায় না।

Google Voice ও অন্যান্য অ্যাপের তুলনা

বাজারে আরও অনেক কমিউনিকেশন অ্যাপ আছে, সবারই নিজস্ব সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে। কয়েকটি জনপ্রিয় অ্যাপের সঙ্গে Google Voice-এর তুলনা নিচে দেওয়া হলো—

  • WhatsApp: আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য দুর্দান্ত, ফ্রি কল ও ভিডিও কল দেয়। তবে Google Voice-এর মতো কল ফরোয়ার্ডিং বা ভয়েসমেইল ট্রান্সক্রিপশন নেই।
  • Skype: ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের জন্য পরিচিত এবং দূর-সম্পর্কে যোগাযোগে বেশ ভালো। তবে Google Voice-এর মতো Google সেবার সাথে এত ঘনিষ্ঠ ইন্টিগ্রেশন নেই।
  • Viber: ফ্রি কল, ভিডিও কল ও চ্যাট সুবিধা আছে। নন-ভাইবার ইউজারদের প্রতিও কম দামে আন্তর্জাতিক কল করা যায়। কিন্তু Google Voice-এ যেমন কল ফরোয়ার্ডিং বা ভয়েসমেইল ট্রান্সক্রিপশন আছে, Viber-এ তা নেই।

পিসিতে Google Voice সেটআপ করবেন কীভাবে

Google Voice অ্যাকাউন্ট তৈরি করা বেশ সহজ। শুধু ইন্টারনেট কানেকশন, Google অ্যাকাউন্ট আর ইউএস বা কানাডার একটি ফোন নাম্বার থাকতে হবে।

এসব মিললে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

  1. যেকোনো ব্রাউজার থেকে যান Voice.google.com-এ।
  2. হোমস্ক্রিনে "For personal use" এ ক্লিক করুন।
  3. সঠিক Google অ্যাকাউন্ট দিয়ে সাইন ইন করুন।
  4. "Terms of Service and Privacy Policy" পড়ে "Continue" চাপুন।
  5. আপনার এলাকা কোড দিয়ে নাম্বার খুঁজুন; না পেলে কাছাকাছি লোকেশন চেষ্টা করুন।
  6. "Verify" তে ক্লিক করে মোবাইল বা ল্যান্ডলাইন নাম্বার দিন।
  7. এসএমএস/কলের মাধ্যমে পাওয়া কোডটি লিখুন।
  8. সব শেষে "Finish" চাপুন।

Google Voice, Windows, macOS, Chrome OS এবং বেশিরভাগ আধুনিক ব্রাউজারেই ব্যবহার করা যায়।

Google Voice অ্যাপের সাধারণ সমস্যার সমাধান

অন্যান্য অ্যাপের মতোই Google Voice-এও মাঝে মাঝে সমস্যা দেখা দিতে পারে। নিচে কয়েকটি সাধারণ ইস্যু এবং সহজ সমাধানের উপায় দেওয়া হলো:

  • কল কোয়ালিটির সমস্যা: সিগন্যাল দুর্বল হলে ভালো নেটওয়ার্কে যান বা Wi-Fi ব্যবহার করুন। মাইক আর স্পিকারের সেটিংও একবার চেক করুন।
  • অ্যাপ ক্র্যাশ: সবশেষ ভার্সনে আপডেট দিন, প্রয়োজনে রিইনস্টল করুন, আর ক্যাশ/ডেটা ক্লিয়ার করে দেখুন।
  • কল করতে পারছেন না: ইন্টারনেট সংযোগ ঠিক আছে কি না দেখুন, তারপর অ্যাপ বা ডিভাইস রিস্টার্ট দিন।

Google Voice আপনার বিদ্যমান সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত করুন

Google Voice বহুমুখী একটি টুল, যা আপনার কর্মপ্রবাহ সহজ করে এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে বিদ্যমান সিস্টেমের সাথে যুক্ত করা যায়। কিছু জনপ্রিয় সংযোগের উপায় হলো:

আপনার CRM-এর সাথে Google Voice সংযোগ করুন

CRM সিস্টেম থাকলে Google Voice সেটির সাথে যুক্ত করে নিন—সব কল ও মেসেজ অটোমেটিক রেকর্ড হবে, আর গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ আরও গুছিয়ে যাবে। কেউ আপনাকে কল করলেই তাদের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে CRM-এ যোগ হবে, আর কল ধরার আগেই হিস্টরি দেখে নিতে পারবেন।

এর পাশাপাশি, ইনকামিং কল বা মেসেজের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন অটোমেটেড অ্যাকশন সেট করতে পারেন—যেমন কলের পর ফলোআপ ইমেইল যাবে, বা নির্দিষ্ট টিম মেম্বারকে টাস্ক অ্যাসাইন হবে।

Google Voice ক্যালেন্ডারের সাথে সিঙ্ক করুন

আপনি চাইলে Google Voice-কে ক্যালেন্ডারের সাথে যুক্ত করে ক্লায়েন্টদের সাথে কল ও মিটিং শিডিউল করতে পারেন। Google Voice-এ কিছু শিডিউল করলে তা অটোমেটিক ক্যালেন্ডারে যোগ হবে, আর সেখান থেকেই নোটিফিকেশন পেয়ে যাবেন।

Google Workspace থাকলে Google Calendar পুরোপুরি কাজে লাগান। Google Voice-কে Workspace-এ ইন্টিগ্রেট করলে সব ডিভাইস—বিশেষত অ্যান্ড্রয়েড—থেকেই ক্যালেন্ডার আর যোগাযোগ একসাথে ম্যানেজ করা অনেক সহজ হবে।

ইমেইলের সাথে Google Voice যুক্ত করুন

Google Voice, Gmail-এর সাথেও সমন্বয় করে। ফলে ইনবক্স থেকেই টেক্সট আর ভয়েসমেইল পাঠানো-নেয়া যাবে, আলাদা করে অ্যাপ খুলতে হবে না। ভয়েসমেইল বা ম্যাসেজ আসলে সব ইমেইলে চলে আসবে, সেখান থেকেই পড়ে বা শুনে নিতে পারবেন।

Google Workspace থাকলে Gmail-এর লেবেল, ফিল্টার আর সার্চ অপশন ব্যবহার করে আরও দক্ষভাবে কাজ করতে পারবেন। Google Voice ও Gmail-এর এই সমন্বয়ে যোগাযোগ রাখা অনেকটাই ঝামেলাহীন হয়ে যায়।

ব্যবসার জন্য Google Voice-এর সুবিধা

ব্যবসায়িক কমিউনিকেশনে Google Voice ব্যবহার করার বেশ কয়েকটি বড় সুবিধা রয়েছে:

  • প্রফেশনাল: আলাদা বিজনেস নম্বর নিয়ে পেশাদার ইমেজ তৈরি করতে পারবেন, এতে গ্রাহকের আস্থা আর বিশ্বাস দুটোই বাড়বে।
  • সুবিধাজনক: সব যোগাযোগ এক জায়গা থেকেই সহজে ম্যানেজ করতে পারবেন, আলাদা নম্বর বা ডিভাইসের ঝামেলা থাকবে না। অ্যান্ড্রয়েডে ইন্টিগ্রেট করে কল, মেসেজ আর ভয়েসমেইল একসাথে সামলাতে পারেন।
  • কম খরচ: US/কানাডায় ফ্রি বা খুব কম খরচে কল করা যায়। Google Workspace-এর বান্ডেল প্ল্যান নিলে খরচ আরও সাশ্রয়ী হয়।
  • ফ্লেক্সিবল: কম্পিউটার, ফোন, ট্যাব—যেখান থেকেই খুশি ব্যবহার করুন। বিশেষ করে অ্যান্ড্রয়েডে Google Voice থাকলে বিজনেস কলেও সবসময় কানেক্টেড থাকা যায়।

ব্যবসায় দক্ষতার জন্য Google Voice ফিচারের সর্বোচ্চ ব্যবহার

ভয়েসমেইল ট্রান্সক্রিপশন ব্যবহার করুন

Google Voice-এ ভয়েসমেইল ট্রান্সক্রিপশনের সুবিধা আছে, যাতে আপনার মেসেজ লিখিত আকারে ইমেইল বা এসএমএসে চলে আসে। এতে দ্রুত স্ক্যান করে পড়া, প্রয়োজন হলে সাথে সাথেই রিপ্লাই দেয়া অনেক সহজ হয়ে যায়।

কল ফরোয়ার্ডিং ও রাউটিং ম্যানেজ করুন

Google Voice দিয়ে কল ফরোয়ার্ডিং আর রাউটিং এমনভাবে কনফিগার করুন, যাতে গুরুত্বপূর্ণ কোনো কল যেন হাতছাড়া না হয়। প্রয়োজনে কল সরাসরি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে বা নির্দিষ্ট টিম মেম্বারের কাছে ফরোয়ার্ড করুন—বিজনেস প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ থাকবে আপনার হাতেই।

কাস্টমাইজড গ্রিটিং ও বার্তা

ব্যক্তিগত গ্রিটিং বা কাস্টম বার্তা দিয়ে ক্লায়েন্টের সাথে সম্পর্ক আরও আন্তরিক করুন। কলারদের স্বাগতম বার্তা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যোগ করুন—Google Voice-এ এসব কাস্টমাইজ করা খুবই সহজ।

Google Voice-এর ফিচারগুলো, বিদ্যমান টুলের সাথে সংযোগ এবং Google Workspace-এর ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে নিন—ব্যবসায়িক কমিউনিকেশন, ক্যালেন্ডার, কল আর পাঠানো-নেয়া সব ক্ষেত্রে এর সুফল পাবেন। ছোট হোক বা বড়, যেকোনো ব্যবসায় Productivity বাড়াতে Google Voice ইন্টিগ্রেশন বেশ কার্যকর।

Google Voice-এর সারমর্ম

মোটকথা, Google Voice অ্যাপ শক্তিশালী একটি কমিউনিকেশন টুল, যেখানে আছে অনেক দরকারি ফিচার। ব্যক্তিগত নাম্বার গোপন রাখতে চান, নাকি সব যোগাযোগ এক জায়গা থেকে ম্যানেজ করতে চান—দুই ক্ষেত্রেই এটি দারুণ কাজ দেয়। কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও অ্যাপটি নিয়মিত আপডেট হচ্ছে। এই গাইড পড়ে আপনি অ্যাপটি ব্যবহার, এর শর্তাবলী এবং অন্য অ্যাপের তুলনায় কোথায় এগিয়ে আছে—সবই পরিষ্কার ধারণা পাবেন।

Speechify চেষ্টা করুন – Google Voice-এর জন্য টেক্সট-টু-স্পিচ অ্যাপ

পিসিতে ব্রাউজার থেকে Google Voice ব্যবহার করার সময় স্ক্রিনের লেখা আপনাকে পড়ে শোনাতে পারে Speechify—একটি নির্ভরযোগ্য টেক্সট-টু-স্পিচ অ্যাপ, যা Google Voice ব্যবহারকে আরও আরামদায়ক করে তোলে। Google Chrome বা Safari-তে এক্সটেনশন ইনস্টল করলে Speechify স্ক্রিনের প্রায় সব তথ্যই পড়ে শোনাবে—টেক্সট, Gmail ইমেইলসহ আরও অনেক কিছু।

এই সুবিধার ফলে শেখার সমস্যায় ভোগা বা দৃষ্টিশক্তিহীন ব্যক্তিরা সহজেই সব ফিচার ব্যবহার করতে পারে। এছাড়া Speechify দিয়ে উচ্চমানের ভয়েসওভারও তৈরি করা যায়। পিসি, অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন—সব প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যায়। আজই Speechify ব্যবহার করুন একদম ফ্রি এবং উপভোগ করুন অসাধারণ টেক্সট-টু-স্পিচ টুলের সুবিধা।

FAQs

Google Voice কোন প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যায়?

Google Voice বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ও অপারেটিং সিস্টেমে চলে। Windows, macOS, Chrome OS, Linux (সীমিত), Google Chrome, Firefox, Edge ও Safari ব্রাউজারে ব্যবহার করা যায়। ব্যবহার করতে অবশ্যই একটি Google অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।

আমি কি Google Voice অ্যাপ ইনস্টল করতে পারি?

হ্যাঁ, আপনি মোবাইল ডিভাইসে ইনস্টল করতে পারবেন, আবার চাইলে শুধু ওয়েব ব্রাউজার থেকেও ব্যবহার করতে পারেন। iOS ভার্সন App Store-এ, Android ভার্সন Google Play Store-এ পাওয়া যায়।

Google Voice অ্যাপের ডেস্কটপ ভার্সন আছে?

না, আলাদা কোনো ডেস্কটপ সফটওয়্যার নেই। কেবল ওয়েব, অ্যান্ড্রয়েড ও iOS অ্যাপ হিসেবেই ব্যবহার করা যায়।

Google Voice অ্যাপ ব্যবহারের শর্তাবলী কী কী?

Google Voice ব্যবহারের দুটি প্রধান শর্ত হলো: একটি সঠিক Google বা G Suite অ্যাকাউন্ট এবং US/কানাডার একটি ফোন নাম্বার (মোবাইল বা ল্যান্ডলাইন)। সাথে স্থিতিশীল ইন্টারনেট বা ডেটা সংযোগও অবশ্যই লাগবে।

কীভাবে কম্পিউটার থেকে Google Voice অ্যাপ আনইনস্টল করবেন?

ডেস্কটপের জন্য আলাদা Google Voice সফটওয়্যার না থাকায় আনইনস্টল করার দরকার নেই; শুধু ব্রাউজারের শর্টকাট বা বুকমার্ক ডিলিট করলেই হবে।

অত্যাধুনিক AI কণ্ঠস্বর, সীমাহীন ফাইল আর ২৪/৭ সহায়তা উপভোগ করুন

বিনামূল্যে ব্যবহার করে দেখুন
tts banner for blog

এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন

Cliff Weitzman

ক্লিফ ওয়েইৎজম্যান

Speechify-এর সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা

ক্লিফ ওয়েইৎজম্যান ডিসলেক্সিয়ার পক্ষে সোচ্চার এবং Speechify-এর সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা। Speechify হলো বিশ্বের #1 টেক্সট-টু-স্পিচ অ্যাপ, যার ১,০০,০০০+ ৫-তারকা রিভিউ এবং অ্যাপ স্টোরে সংবাদ ও ম্যাগাজিন শ্রেণিতে শীর্ষ স্থান। ২০১৭ সালে, ওয়েইৎজম্যান Forbes 30 Under 30-এ ছিলেন, ওয়েব আরও সহজলভ্য করতে তার অবদানের জন্য। ক্লিফ ওয়েইৎজম্যান EdSurge, Inc., PC Mag, Entrepreneur, Mashable-সহ নানা শীর্ষ মিডিয়ায় আলোচিত হয়েছেন।

speechify logo

স্পিচিফাই সম্পর্কে

#১ টেক্সট-টু-স্পিচ রিডার

স্পিচিফাই পৃথিবীর শীর্ষস্থানীয় টেক্সট-টু-স্পিচ প্ল্যাটফর্ম, যা ৫ কোটি+ ব্যবহারকারীর কাছে ভরসাযোগ্য এবং এর টেক্সট-টু-স্পিচ iOS, অ্যান্ড্রয়েড, ক্রোম এক্সটেনশন, ওয়েব অ্যাপ আর ম্যাক ডেস্কটপ অ্যাপসে ৫ লক্ষ+ ফাইভ-স্টার রিভিউ পেয়েছে। ২০২৫ সালে অ্যাপল স্পিচিফাই-কে মর্যাদাপূর্ণ অ্যাপল ডিজাইন অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে WWDC-তে এবং একে বলে, “মানুষের জীবনে দারুণ সহায়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ রিসোর্স।” স্পিচিফাই ৬০+ ভাষায় ১,০০০+ প্রাকৃতিক কণ্ঠ নিয়ে প্রায় ২০০ দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেলিব্রিটি কণ্ঠের মধ্যে রয়েছে স্নুপ ডগ আর গুইনেথ পেল্ট্রো। নির্মাতা ও ব্যবসার জন্য স্পিচিফাই স্টুডিও উন্নত সব টুল দেয়, যার মধ্যে রয়েছে AI ভয়েস জেনারেটর, AI ভয়েস ক্লোনিং, AI ডাবিং আর AI ভয়েস চেঞ্জার। স্পিচিফাই-এর উচ্চমানের এবং খরচ-সাশ্রয়ী টেক্সট-টু-স্পিচ API-এর মাধ্যমে অসংখ্য শীর্ষ পণ্য সম্ভব হয়েছে। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, CNBC, Forbes, TechCrunch এবং অন্যান্য বড় সংবাদমাধ্যমে স্পিচিফাই নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে; এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেক্সট-টু-স্পিচ প্রদানকারী। আরও জানতে ভিজিট করুন speechify.com/news, speechify.com/blog এবং speechify.com/press